আব্বা আর আফসার কাকা ছোটবেলার বন্ধু। স্কুল লাইফ থেকে একসাথে, একই কলেজ হয়ে
ঢাবির ইকনোমিক্স ডিপার্টমেন্ট থেকে উনারা পাশ করেন। ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়
দুজনেই ছিলেন ঢাবির ছাত্র এবং মুক্তিযোদ্ধা। দুজন দু ব্যাংকে চাকরী করলেও ছোটবেলা
থেকেই আমাদের বাসায় আফসার কাকার ফ্যামিলির যাতায়াত ছিল খুব। ৯৫ সালে আব্বা আর
আফসার কাকা মিলে উত্তরায় এই জমিটি কিনে একটা তিনতলা ফ্ল্যাট বাড়ী তৈরী করেন,
তখন থেকে আমরা এই বাসাতেই আছি। ফ্ল্যাটের উত্তর দিকটা আমাদের আর দক্ষিন দিকটা
ওনাদের। দুইপাশের দোতলাগুলোতে আমরা থাকি আর বাকীগুলো ভাড়া। এই ঘটনাটা বেশ
কয়েকবছর আগের যখন আমি মাত্র এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছি। লিখিত পরীক্ষাগুলো শেষ হয়ে
গেছে তখন, প্রj্যাক্টিকাল গুলো বাকী আছে। আমাদের নীচতলায় দাড়ি টুপীওয়ালা
পঞ্চাশোর্ধ ইসলামী ব্যাংকের এক লোক ভাড়া থাকতো। অজানা কারনে আব্বা এই লোকটাকে
দেখতে পারতেন না। মিতভাষী এই ভদ্রলোক আমাকে দেখলেই বিশাল একটা সালাম দিত।
ঢাবির ইকনোমিক্স ডিপার্টমেন্ট থেকে উনারা পাশ করেন। ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়
দুজনেই ছিলেন ঢাবির ছাত্র এবং মুক্তিযোদ্ধা। দুজন দু ব্যাংকে চাকরী করলেও ছোটবেলা
থেকেই আমাদের বাসায় আফসার কাকার ফ্যামিলির যাতায়াত ছিল খুব। ৯৫ সালে আব্বা আর
আফসার কাকা মিলে উত্তরায় এই জমিটি কিনে একটা তিনতলা ফ্ল্যাট বাড়ী তৈরী করেন,
তখন থেকে আমরা এই বাসাতেই আছি। ফ্ল্যাটের উত্তর দিকটা আমাদের আর দক্ষিন দিকটা
ওনাদের। দুইপাশের দোতলাগুলোতে আমরা থাকি আর বাকীগুলো ভাড়া। এই ঘটনাটা বেশ
কয়েকবছর আগের যখন আমি মাত্র এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছি। লিখিত পরীক্ষাগুলো শেষ হয়ে
গেছে তখন, প্রj্যাক্টিকাল গুলো বাকী আছে। আমাদের নীচতলায় দাড়ি টুপীওয়ালা
পঞ্চাশোর্ধ ইসলামী ব্যাংকের এক লোক ভাড়া থাকতো। অজানা কারনে আব্বা এই লোকটাকে
দেখতে পারতেন না। মিতভাষী এই ভদ্রলোক আমাকে দেখলেই বিশাল একটা সালাম দিত।