Monday, May 19, 2014

ব্লাউজ খুলে আমার পাশে শুলো

একটা ধার্মিক এবং সাদাসিধে টাইপের মধ্যবিত্ত পরিবার আসলে যা, আমাদেরটা তাই। পরিবারে সবার প্রতি সবার ভালবাসা আর শ্রদ্ধাবোধ সত্যিই বিরল। পরিবারে সবার ছোট হওয়ায় তাই কিছু বাড়তি ভালবাসা আমার প্রাপ্য। বলতে গেলে সেই ভালবাসার জোড়েই আমার বেঁচে থাকা। ছোট বেলার কিছু কিছু কথা আমার আবছা মনে পড়ে। আমি তখন ক্লাশ ফাইভে পড়ি। আমরা গ্রামে থাকতাম। আপু পড়ত ক্লাশ সেভেনে। আব্বু কিসের যেন ব্যবসা করত। আর আম্মু এখন যা তখনও তাই করত। মানে গৃহিনী। আমি আগুন নিয়ে খেলতে খুব ভালবাসতাম। আম্মু যখন রান্না করত আমি চুলার পাশে বসে থাকতাম।
আম্মু চোখের আড়াল হলেই আমি চুলা থেকে আগুন বেড় করে মশাল মিছিল করতাম। কাঠির মধ্যে আগুন নিয়ে উঠান জুড়ে দাপাদাপি। কী যে ভাল লাগত বলে বোঝানো যাবে না। গ্রামে একটা কথা প্রচলিত আছে। ছোট বাচ্চাদের নাকি আগুন নিয়ে খেলা করা ঠিক না। আগুন নিয়ে যারা খেলা করে তারা নাকি রাতে বিছানায় হিসু করে ফেলে। আমার বেলায় বা এর ব্যাতিক্রম হবে কেন? অবশ্য কারণ এটা কিনা জানিনা, আমি ক্লাশ টেন পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন ভাবে বিছানায় হিসু করেছি। মাঝে মাঝে আমার খেলায় আপুও সামিল হত। কই সেতো কোনদিন বিছানা ভিজায়নি? আমার এহেন কর্মকান্ডে আব্বু আম্মুর উপর রাগ করতেন। আব্বুর ধারনা আম্মুর জন্যেই আমি নষ্ট হয়ে গেছি। আমাদের বাসায় খাট মাত্র একটাই ছিল। তবে অনেক বড়। সে খাটে আমরা চারজন আরামচে থাকতে পারি। আব্বু নামাজ পড়েন। তাই আমার সাথে থাকলে তার ফজরের নামা কাজা হয়ে যায়। আবার ফজরে উঠে গোসল করে নামাজ পড়াও সম্ভব না। তাই সিদ্ধান্ত হল আমার আলাদা বিছানা হবে। যেহেতু আব্বু পরিবারের কর্তা তাই তিনি থাকবেন খাটে। আর আমি মাটিতে। প্রথম যেদিন মাটিতে একা ছিলাম হঠাৎ রাতে ভয় পেয়ে চিৎকার করে উঠলাম। সাথে সাথে আব্বু আম্মু আর আপু উঠে এসে আমার পাশে বসল। আমি শুধু আম্মুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলাম। আমি কিছুই বলতে পারছিলাম না। আম্মু আব্বুকে খুব বকা দিলেন। বললেন একটা বাচ্চা ছেলেকে এভাবে মাটিতে একা রাখা অন্যায়। আব্বু তার ভুল বুঝতে পারল। আব্বু আম্মুকে বলল, আচ্ছা নীল বিছানায় হিসু করে রাতের কোন সময়টাতে? আম্মু বলল, আমি কিভাবে সেটা জানব? তবে আমার মনে হয় ভোরের আগে আগে। আব্বু বলল, ওকে যখন আর নিচে রাখা যাচ্ছে না তখন এমন কিছু করতে হবে যাতে সে বিছানায় হিসু করতে না পারে। আম্মু বলল, আপনি একটু হুজুরের কাছ থেকে তাবিজ নিয়ে আসেন না। আব্বু বলল, আরে আগে আমরা কিছু করে দেখি, তারপর। শুনো, নীলকে আজকে থেকে রাতে পানি কম খাওয়াবা। আর ঘুমানোর সময় তুমি ওর পাশে থাকবা। তোমার একটা হাত নীলের প্যান্টের ভিতর দিয়ে নুনু ধরে থাকবা। আমি জানি ছেলেদের যখন হিসু পায় তখন নুনু শক্ত হয়ে যায়। যখনই দেখবা নুনু শক্ত হয়ে যাবে তখনই তাকে উঠায় বাইরে থেকে হিসু করায় আনবা। আম্মু বলল, দেখেন আমি মা হয়ে কিভাবে ছেলের নুনুতে হাত দিয়ে থাকব? এই কাজটা আপনি করলে ভাল হত না? আব্বু বলল, দেখ রাবেয়া, তুমি তো আমার ঘুম জান। ঘুমালে আমার কোন হুশ থাকে না। তুমি মা, সন্তানের জন্য তোমার সব কিছু করা জায়েজ আছে। আর তাছাড়া তো নীল এখনো বাচ্চা ছেলে। আম্মু বলল, ঠিক আছে, তাহলে আমিই করব। কিন্তু একটা কথার জানার ছিল। রাগ করবেন না তো? আব্বু বলল, না। বলো। আম্মু বলল, ছেলেদের নুনুতে হাত দিলে তো নুনু এমনিতেই শক্ত হয়ে যায়। তাহলে আমি বুঝব কিভাবে ওর হিসু পেয়েছে? আব্বু বলল, আরে সেটাতো যৌবনে হয়। আর ওতো বাচ্চা ছেলে। দেখ আমি এতো কিছু জানি না। ওকে যদি আমাদের সাথে এক বিছানায় রাখ তাহলে এটা তোমায় করতেই হবে। আম্মু বলল, তার চেয়ে আমি ওর সাথে মাটিতে থাকলে ভাল হত না? তাহলে সে ভয়ও পাবে না। আব্বু বলল, দেখ যা ভাল মনে কর। তবে ওর এই অভ্যাসটা ছাড়ানোর চেষ্টা কর। তানাহলে শশুর বাড়িতে গিয়েও বিছানা ভিজাবে। পরদিন রাতে খাওয়ার পর আমার বিছানা আবার মাটিতে হল। কিন্তু আমার সাথে আম্মুও ছিল। আর সেদিন রাতে আম্মু আমাকে বেশি পানিও খেতে দেয়নি। রাতে ঘুমানোর সময় আম্মু আমাকে প্যান্ট খুলে শুতে বলল। আমি খুব লজ্জা পাচ্ছিলাম। আমি না করলাম। তারপর আম্মু ধমক দিয়ে বলল, তোর বাবা কি আমাকে তোর চাকর করে রেখেছে? প্রতিদিন বিছানা-পাটি ধুতে হয়। আবার তোর প্যান্টও ধুয়ে দিব। প্যান্ট খুলে ঘুমাবি, তানাহলে সকালে তোর প্যান্ট তোকেই ধুতে হবে। আমি ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদতে লাগলাম। আমার কান্না দেখে আম্মু বলল আচ্ছা ঠিক আছে, প্যান্ট খুলতে হবে না। কিন্তু আমি রাতে তোর নুনুটা ধরে থাকব। প্রতিদিন বিছানা ভিজাস , লজ্জা করে না তোর? সারাদিন তোর বিছানা-পত্র ধুতেই যায়। আমি তোর নুনু ধরে থাকলে তোর হিসু পেলে বুঝতে পারব। আমার আর না করার কোন উপায় ছিলনা। ঠিকই তো এই বয়সেও এসব করি। খুব রাগ আসছিল নিজের উপরে। আমরা সাধারনতঃ রাত দশটা বাজলেই শুয়ে পড়ি। গ্রামে তখনও কারেন্ট আসেনি। তাই তখন দশটা মানে মনে হত গভির রাত। সেদিন রাতে আমার ঘুম আসছিলনা। কেমন যেন অস্থির লাগছিল। খুব লজ্জা লাগছিল। আম্মু আমার নুনু ধরে থাকবে চিন্তা করতেই খারাপ লাগছিল। কিন্তু আমার কিছুই করারা ছিলনা। একটু চোখ লেগে আস্তেই মনে হল কে যেন আমার প্যান্টের হুক খুলছে। তারপর প্যান্টের চেইন খুলল। আমি চোখ খুলতেই দেখি আম্মু। কিন্তু আম্মুর চোখ বন্ধ ছিল। তবে জেগে ছিল সেটা বুঝতে পারলাম। আমিও চোখ বন্ধ করে থাকলাম। ইচ্ছা করছিল আম্মুর হাতটা সরিয়ে দেই। কিন্তু পারলাম না। আম্মু আমার প্যান্ট খুলে হাটু পর্যন্ত নামিয়ে নিল। তারপর আমার নুনুটা ধরে থাকল। আমার কেমন যেন একটা অনুভূতি হচ্ছিল। ঠিক কি রকম তা আমি বুঝতে পারিনি। তবে এমনটা আগে কখনো হয়নি। আম্মু আমার ছোট্ট নুনুটাতে হাত বোলেচ্ছে। মাঝে মাঝে বিচিতেও হাত বোলাচ্ছে। কিছুক্ষনের মধ্যেই আমার নুনুটা বড় হয়ে গেল। সাথে সাথে আম্মু আমার গা ঝাকিয়ে ডাকতে লাগল। আমি চোখ খুলতেই আম্মু বলল, উঠ বাবা, হিসু করবি চল। আমি বললাম, আম্মু আমার তো হিসু পায়নি। আম্মু বলল, তাহলে তোর নুনুটা বড় হল যে? আমি বললাম, আমি জানিনা, ওটা কেন বড় হয়ে গেছে। আম্মু বলল, তবুও দেখ একটু করতে পারিস কিনা। আমি উঠলাম। বাইরে গিয়ে হিসু করার চেষ্টা করলাম। কিন্তু কিছুই বের হল না। আবার এসে শুয়ে পড়লাম। আম্মু বলল, কিরে কিছু হল? আমি বললাম, আমি বললাম না আমার হিসু পায়নি। আম্মু বলল, আচ্ছা ঠিক আছে। তুই প্যান্টটা খূলে নে। আমি প্যান্ট খুলেই শুয়ে পড়লাম। আম্মু আমার নুনুটা আবার ধরে থাকল। তারপর কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি তা মনে নেই। তবে কাজ হয়নি। সে রাতেও বিছানা ভিজিয়ে দিয়েছিলাম। পরদিন। আব্বু-আম্মু কথে বলছে। আব্বু- আচ্ছা তুমি কি একটুও টের পাওনি? তোমাকে বলেছিলাম নুনু শক্ত হলেই ওকে উঠায় হিসু করায় আনবা। আম্মু- আমি আপনাকে আগেই বলেছি যে, ছেলেদের নুনুতে হাত দিলেই নুনু শক্ত হয়ে যায়। এটা দিয়ে বোঝা যায়না। আব্বু- তাহলে কি করা যায় বলতো? আম্মু- আপনাকে একটা কথা বলার ছিল। আব্বু- বল। আম্মু- আমাদের নীলের বয়স হিসেবে ওর নুনুটা অনেক ছোট। আমার ধারনা এটাই কোন কারন হতে পারে। আব্বু- বল কি? আম্মু- আপনি বরং ডাক্তারের সাথে কথা বলে দেখেন। আমার কেন যেন ভয় করছে। নীল পুরুষ হতে পারবে তো? আব্বু- আরে না। ভয়ের কিছু নেই। তুমি একটু নীলকে ডাক তো। এরপর আম্মু আমাকে আব্বুর কাছে নিয়ে গেলেন। আব্বু আমাকে কাছে টেনে নিয়ে আমাকে প্যান্ট খুলতে বললেন। আমি লজায় মাথা নিচু করে থাকলাম। পরে আব্বুর ধমকে খুলে ফেললাম। আব্বু আমার নুনুটা নিয়ে নাড়াচাড়া করে দেখলেন। আব্বু- রাবেয়া, নীলের নুনু তো শক্তই হচ্ছে না। তুমি যে বললে হাত দিলেই শক্ত হয়ে যায়। আম্মু- এভাবে নাতো। আপনি দুই আঙ্গুল দিয়ে ধয়ে উপর নিচ করে দখেন না। আব্বু দুই আঙ্গুল দিয়ে ধরে কিছুক্ষন উপর নিচ করলেন। কিন্তু কোন লাভ হল না। আব্বু- ধূর, হচ্ছে না। তুমি দেখ তো কিছু পার কিনা। আম্মু- আপনি সরেন। আমি দেখছি। এরপর আম্মু আমার নুনুটা দুই আঙ্গুল দিয়ে ধরে উপর নিচ করতে লাগল। সাথেই সাথেই আমার নুনুটা শক্ত হয়ে গেল। তারপর আব্বু নুনুটা ধরে দেখতে লাগল। আব্বু আমাকে চলে যেতে বলল। আব্বু- রাবেয়া, তুমি ঠিকই বলছ। নীলের নুনুটা বয়স হিসেবে অনেক ছোট। আমি ওকে কালকেই ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব। পরদিন ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল আব্বু। আম্মুকেও সাথে নিতে চাইল। কিন্তু আপু বাসায় একা থাকবে তাই যেতে চাইল না। সকাল সকাল রওনা দিলাম আব্বুর সাইকেলের পিছনে বসে। গ্রামের রাস্তা। আঁকা-বাঁকা পথ। ভালই লাগছিল। তবে আমাকে কেন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে আমার বিন্দু মাত্র ধারনা নেই। সাইকেলে প্রচন্ড ঝাকি হচ্ছিল। আমি পাছায় খুব ব্যাথা পাচ্ছিলাম। আব্বুকে বললাম সে কথা। আব্বু গায়ে লাগালো না। শুধু বলল বাড়িতে ফিরে তেল মালিশ করলে সব ঠিক হয়ে যাবে। প্রায় এক ঘন্টা পর পৌছলাম ডাক্তারের চেম্বারে। ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকতেই দেখলাম কি সব নেংটা মানুষের ছবি। তখন কিছু না বুঝলেও, এখন বুঝি উনি ছিলেন চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞ। আমাকে বাইরে চেয়ারে বসিয়ে রেখে আব্বু ভিতরে গেলেন কথা বলতে। কিছুক্ষন পর আব্বু এসে আমাকে ভিতরে নিয়ে গেলেন। ডাক্তার কাকু আমার মাথায় হাত বুলিয়ে আমাকে প্যান্ট খুলতে বললেন। আমি আব্বুর দিকে তাকালাম। আব্বু ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন যে, আমাকে প্যান্ট খুলতেই হবে। আমিও বাধ্য ছেলের মত প্যান্ট খুলে বেডে শুয়ে পড়লাম। ডাক্তার কাকু আমার নুনু ধরে নাড়াচাড়া করতে লাগলেন। কিছুক্ষন নাড়াচাড়া করার পরও নুনু শক্ত হল না। ডাক্তার কাকু- জলিল ভাই নুনু তো শক্ত হচ্ছে না! আর শক্ত না হলে নুনুর আসল সাইজ বোঝা যাবে না। আব্বু- দাদা, আপনার এখানে কোন নার্স নেই? আমি দেখেছি আমি নাড়াচাড়া করেও শক্ত করতে পারিনি। ওর মা যখন ধরে তখন আবার শক্ত হয়ে যায়। তাই বলছিলাম কি কোন মহিলা যদি থাকে, তাহলে একটু নেড়ে দিত। ডাক্তার কাকু- আর বলেবেন না দাদা, কলাবতী নামে একটা একটা নার্স ছিল। কিন্তু মেয়েটা তিন মাসের ছুটিতে থাকায় সব কাজ এখন আমাকেই করতে হচ্ছে। আব্বু- তিন মাসের ছুটি কেউ পায়? ডাক্তার কাকু- আরে মাতৃত্বকালিন ছুটি তো। দাদা একটা কাজ করে দেখতে পারেন। কাজ হবে আমি শিউর। আব্বু- কি কাজ? ডাক্তার কাকু- আপনি নুনুটা মুখে নিয়ে একটু চুষে দেন। দেখবেন তর তর করে বড় হয়ে যাবে। আব্বু- কি বলেন! আমি এটা কিভাবে করি? ডাক্তার কাকু- তাছাড়া আর তো কোন উপায় দেখছি না। আব্বু আমার কাছে এসে আমার নুনুটা ধরে মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। আমার শরীরে কেমন যেন একটা শিহরণ হচ্ছিল। আমার নুনুটা আস্তে আস্তে বড় হতে লাগল। তারপর আব্বু ডাক্তার কাকুকে দেখালেন। ডাক্তার কাকু ভালভাবে দেখে হতাশ হলেন মনে হয়। ডাক্তার কাকু- দাদা, আমি ভেবেছিলাম ঠিক তাই। আব্বু- কি দাদা? খারাপ কিছু? ডাক্তার কাকু- ওর মধ্যে মেয়েলী হরমোন বেশি পরিমানে আছে। আস্তে আস্তে সেটা বাড়বে। আর একটা পর্যায়ে ও ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে যেতে পারে। আবার দুইটার মাঝামাঝিও থাকতে পারে। মানে হিজরা। কথাগুলো শুনে আব্বুর চোখ লাল হয়ে গেল। আব্বু ঘামতে শুরু করল। মনে হয় কিছু বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছিল। ডাক্তার কাকু- যেহেতু ওর শরীরে মেয়েদের হরমোন বেশি পরিমানে তাই এখনি সময় ওকে অপারেশন করিয়ে সেক্স পরিবর্তন করতে হবে। আব্বু- মানে? ডাক্তার কাকু- মানে ছেলে থেকে মেয়ে করতে হবে। আব্বু- কি বলছেন এসব। আমার একমাত্র ছেলে। আমার বংশের প্রদীপ। দাদা দয়া করে একটা কিছু করুন। ডাক্তার কাকু- দেখুন দাদা ওর যা বয়স তাতে আমার ওসুধ কাজে লাগবে না। আবার সে বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও তখন কিছুই করার থাকবে না। আব্বু- কি অসুধ দাদা? আপনি শুধু একবার বলুন। যত টাকা লাগে আমি খরচ করতে রাজী আছি। ডাক্তার কাকু- দাদা অনেক সময় টাকা মানুষের জীবনে কোন কাজে লাগে না। আপনি একটা কাজ করতে পারেন। আপনি ওর মধ্যে সেক্সুয়ালিটি গ্রো করার ব্যবস্থা করেন। মানে কোন নারির প্রতি আকর্ষণ বা শারিরিক সম্পর্ক। আব্বু- এই বয়সে সেটা কিভাবে সম্ভব? ডাক্তার কাকু- এজন্যেই তো বললাম আমার অসুধ ওর কাজে লাগবে না। আর ওর যা রোগ তাতে এই অসুধ ছাড়া আর কোন অসুধ আমার জানা নেই আব্বু- ঠিক আছে দাদা। আপনি যা বলবেন আমি সেইভাবেই করব। তবু যেন আল্লাহ আমার ছেলেকে ভাল করে দেন। ডাক্তার কাকু- আর একমাস পরে একবার ওকে নিয়ে আসবেন। শহর থেকে বড় একজন ডাক্তার আসবেন। দেখি কিছু করা যায় কিনা। আমি শুধু তাদের কথা শুনেই গেলাম। কিন্তু কথার আগামাথা কিছুই বুঝলাম না। ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হয়ে আবার আব্বুর সাইকেলের পিছনে উঠে বসলাম। বিকেলে বাসায় ফিরলাম। আম্মু কাছে এসে জানতে চাইল ডাকাতার কি বলেছে? কিন্তু আব্বু কিছুই বলল না। শুধু মন খারাপ করে বসে থাকল। এদিকে আমি পাছার ব্যথায় কাঁদছিলাম। আম্মু- কি হয়েছে? কাঁছিস কেন? আমি আম্মুকে বললাম যে, সাইকেলে উঠে পাছায় ব্যথা পেয়েছি। আব্বু- রাবেয়া, তুমি একটু গরম তেল নিয়ে ওর পাছায় মালিশ করে দাও। খুব কষ্ট পেয়েছে ছেলেটা। আম্মু- ডাক্তার কি বলল কিছুই তো বললেন না। নীলের কি হয়েছে? খারাপ কিছু হয়নি তো আমার যাদুটার? আব্বু- সেসব কথা রাতে বলব। এখন ভাল লাগছে না। আর আমি একটু বের হব এখন। আম্মু আমাকে গোসল করাতে নিয়ে গেল। আমাকে প্যান্ট খুলতে বলল। আমি সবার সামনে এতবার প্যান্ট খুলেছি যে, এখন আর প্যান্ট খুলতে লজ্জা লাগে না। আমি সাথে সাথেই প্যান্ট খুলে রেডি হয়ে গেলাম। আম্মু বালতিতে পানি ভর্তি করল। তারপর আমার কাছে এসে আমার নুনুটা ধরে নাড়াচাড়া করতে লাগল। কিছুক্ষনের মধ্যেই নুনুটা শক্ত হয়ে গেল। তারপর আম্মু আমার গায়ে পানি ঢালতে লাগল। ভাল করে সাবান দিয়ে শরীর ঘষে দিল। আমি- আম্মু খুব লাগছে তো। আম্মু- লাগুক। একা একা গোসল করিস। শরীরে এত ময়লা জমেছে। এজন্যেই তো রোগ বালাই লেগেই থাকে কেন? এখন থেকে প্রতিদিন আমি তোকে গোসল করায় দিব। গোসল শেষে আম্মু খেতে ডাকলেন। কিন্তু আমি ব্যাথায় বসতে পারছিলাম না দেখে আম্মু আবার আমাকে প্যান্ট খুলে উপুর হয়ে বিছানায় শুয়ে থাকতে বলল। আম্মু একটা বাটিতে করে তেল গরম করে নিয়ে আসল। তারপর কিছু তেল নিয়ে আমার পাছায় আস্তে আস্তে মালিশ করতে লাগল। আমার খুব আরাম হচ্ছিল। আম্মু- কিরে ভাল লাগছে এখন? আমি- হ্যা। আম্মু- এবার সামনে ঘুরে শুয়ে পর। আমি আম্মুর কথামত সামনে ঘুরে শুয়ে পরলাম। আম্মু আমার নুনুটা হাতে নিয়ে বলল, এখানেও কি ব্যাথা করছে? আমি- না। এখানে আবার ব্যাথা করবে কেন? আম্মু- না করলেও এখানে মালিশ করলে আরো বেশি আরাম পাবি। পুরুষদের এটাই হল আসল। আমি- আম্মু, তোমার নুনুতেও কি তেল মালিশ কর? আম্মু হাসল আমার কথা শুনে। আম্মু- না বাবা। আমাদের নুনু এরকম হয়না। আমি- তাহলে কি রকম হয়? আম্মু- বড় হলে সব জানতে পারবে। এমন সময় আপু আম্মু আম্মু বলে ডাকতে লাগল। আপু স্কুল থেকে ফিরেছে। আম্মু আমাকে প্যান্ট পড়ে ঘুমাতে বলল। আমি ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম থেকে উঠলাম সন্ধায়। আব্বু এসেছে। আব্বুর সাথে একজন হুজুর। তারা কথা বলছে। আব্বু হুজুরকে কি বলেছে তার কিছুই আমি শুনিনি। হুজুর- দেখ বাবা, জীবন বাঁচানো ফরজ কাজ। জীবন বাঁচানোর জন্য কারো জীবন নেয়াও জায়েজ আছে। তবে যা কিছুই কর না কেন খেয়াল রেখ ওর মনে যেন কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া না হয়। বয়স কম তো। এসব ব্যাপার এখনি বুঝে উঠতে পারবে না। তাই খেলার ছলেই যেন সব হয়। আমরা যেমন বাচ্চাদের খেলতে খলতে শেখাই। সেভাবে কর। আর আমি একটা তাবিজ দিব।। সেটা অর কোমড়ে বেঁধে দিবে। আব্বু- হুজুর তাবিজটা কোমড়ে না দিয়ে গলায় বা হাতে দিলে হয়না? হুজুর- না বাবা। তাবিক টা কোমড়ে শিকই এর সাথে ঝুলিয়ে দিতে হবে। যাতে ও হাঁটার সময় তাবিজটা ওর নুনুর সাথে বারি খায়। আব্বু- জ্বী হুজুর। আপনি যেভাবে বলবেন সেভাবেই করব। হুজুর চলে যেতেই আম্মু ঘরে এসে ঢুকল। আম্মু- এতকিছু হয়েছে আপনি আমাকে জানাননি কেন? আব্বু- এখন তো জানলে। মা হিসেবে তোমার দায়িত্বটা কি এখন বুঝতে পারছ? আম্মু- আমার যাদুর জন্য আমি সব করতে পারব। আম্মু মুখে আঁচল টেনে কাঁদতে লাগল। আব্বু- আহ রাবেয়া, এসময় তুমি এমন করে ভেঙ্গে পরলে হবে? তোমাকেইতো সব করতে হবে। আমি বাবা। আমি কি করব বল? আম্মু- আমার মানিকের কপালে কি এই ছিল? আপনি কোন চিন্তা করবেন না। আমি ঠিকই ওকে পুরুষ করে তুলব। আব্বু- আমি জানি রাবেয়া তুমি পারবে। তোমার সেই ক্ষমতা আছে। কিন্তু সাবধান, যেন মেয়ে এর কিছুই না জানে। আর কাউকে কিছুই বলার দরকার নাই। লোকে জানলে নানা কথা বলবে। আর শুনলে না হুজুর কি বলে গেলেন। জীবন বাঁচানোর জন্য জীবন নেয়াও জায়েজ। এতক্ষনে আমার মনে হল আমার কঠিন কোন অসুখ হয়েছে। খুব খারাপ লাগছিল। আমি বিছানা থেকে উঠলাম। উঠে কলের পাড়ে গিয়ে হাত মুখ ধুয়ে আসলাম। আব্বু- বাবা, পাছার ব্যাথাটা কি কমেছে? আমি- হ্যা আব্বু। আম্মু পাছায় তেল মালিশ করে দিয়েছিল। আব্বু- তোমাকে নিয়ে বাজারে যাব। সাইকেলে যাবে নাকি হেঁটে যাবে? আব্বুর সাথে বাজারে যাব শুনেই আমি খুশিতে লাফাতে লাগলাম। কিন্তু সেই সাথে পাছার ব্যাথার কথাও মনে হল। আমি- আব্বু হেঁটে যাই? আব্বু হাসলেন। আব্বু- আচ্ছা বাবা। আজকে তোমার পছন্দের সব খাবার নিয়ে আসব। আমিতো আরো খুশি। এমন সময় আম্মু আব্বুকে ডাকলেন। আব্বু আম্মুর কাছে যেতেই আম্মু ফিসফিস করে কথা বলল। আম্মু- শুনেন, নীলের জন্য বেশি করে ফলমূল নিয়ে আসবেন। আব্বু- এইটা ফিসফিস করে বলার কি আছে? আম্মু- আর একটা কথা বলতে চাইছিলাম। আব্বু- বল তো। আম্মু- আমাদের মধ্যে তো অনেক দিন কিছু হয়নি। তাই আমি অসুধ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। তাই বলছিলাম কি নীলের জন্য কয়েকটা কনডম নিলে ভাল হত না? যদি কিছু হয়ে যায়? আব্বু- রাবেয়া, বোকার মত কথা বল নাতো। ওর সাইজের কনডম পাওয়া যাবে নাকি? আর তুমি এখনি এত গভীরে যাওয়ার চিন্তা করছ কেন? আগে দেখ ওর প্রতিক্রিয়া কি? ছেলে কিছু চায় কি না তার নাই ঠিক। আর উনি আসছেন কনডম নিতে। নদী না দেখতে কাপড় খোলার মত অবস্থা। আব্বুর কথায় আম্মু একটা বেশিই লজ্জা পেল। তারপর আব্বু আমাকে নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হল। আমরা বাপ ছেলে হেঁটে বাজারে গেলাম। বাজারে গিয়ে আব্বু অনেক ফল কিনল। আর আমার পছন্দের মিষ্টি কিনলেন। রাত আটটা নাগাদ আমরা বাড়িতে ফিরলাম। বাড়িতে ফিরেই আম্মু ভাত বাড়তে লাগল। আমি, আম্মু, আব্বু আর আপু একসাথে বসে ভাত খেলাম। খাওয়া শেষে আব্বু আম্মুকে আলাদা করে ডেকে কথা বলতে লাগল। আব্বু- রাবেয়া, আজকে থেকেই শুরু করে দাও। আর খেয়াল রাখবে ও যেন ব্যাপারটা সেক্সুয়ালি না নেয়। ও যেন সব কিছুই সহজ ভাবে নেয়। আম্মু- আমার খুব লজ্জা আর ভয় করছে। কিভাবে কি করব কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। আব্বু- নিজের ছেলের কাছে ভয় বা লজ্জা কিসের? আর শোন আজকে এত গভীরে যেও না। আস্তে আস্তে ওর মধ্যে পুরুষত্ব জাগিয়ে তুলবে। বেশি তাড়াহুড়ার কিছু নেই। আর এখন শুয়ে পড়। আমার খুব ঘুম পাচ্ছে। আর তাছাড়া আমি দেখলে তোমাদের কাজ করতে অসুবিধা হবে। তানিয়া ঘুমালেই তুমি শুরু করে দিও। আম্মু- আচ্ছা ঠিক আছে। আমি প্রতিদিনের মতই নিচে বিছানা করে শুয়ে পড়লাম। একটু পর আম্মু আব্বু আসল। আব্বু বিছানায় শুয়ে পড়ল। আম্মু আমার কাছে এসে শুয়ে পড়ল। কিছুক্ষন পর আম্মু আমাকে প্যান্ট খুলতে বলল। আমি খুলে ফেললাম। কারন আমার আর লজা ছিলনা। তারপর পাতলা একটা কাথা গায়ে দিয়ে আম্মু আমার কাছে এসে শুলো। আম্মু তার হাতটা আমার নুনুতে রাখল। আস্তে আস্তে নুনুটা নাড়তে লাগল। আমার খুব ভাল লাগছিল। কিছুক্ষনের মধ্যেই নুনুটা দাঁড়িয়ে শক্ত হয়ে গেল। আম্মু- তোর ভাল লাগছে? আমি- হ্যা। আম্মু- তুই যখন ছোট ছিলি তখন আমি সবসময় তোর নুনুটা ধরে খেলতাম। আমি- তখন তো আমি ছোট ছিলাম, দুদু খেতাম। এখন বড় হয়ে গেছি। এখন আমার লজ্জা করে আম্মু। আম্মু- ওরে বাবা কত বড় হয়ে গেছে রে। আমি- কই এখন কি আমি দুদু খাই? আম্মু- আমি কি তোকে কখনো দুদু খেতে নিষেধ করেছি? তু নিজে থেকেই না খেলে সেটা কার দোষ? আমি- আম্মু আমার না এখনো মাঝে তোমার দুদু খেতে ইচ্ছে করে। আমি ভয়ে তোমাকে বলিনি। আম্মু- নিজের মায়ের কাছে ভয় কিরে? আমি কি বাঘ না ভাল্লুক? আমি- তুমি যদি রাগ কর। আম্মু- খাবি নাকি সেটা বল। আমি- খাব। আম্মু- দাড়া। আমি ব্লাউজটা খুলে নেই। আর শোন এই কথা কাউকে ভুলেও বলবিনা। এমনকি আপুকেও না। আমি- না আম্মু। আমি কাউকেই বলব না। আম্মু উঠে বসে ব্লাউজটা খুলে ফেলল। আমি অন্ধকারে কিছুই দেখতে পারলাম না। আম্মু ব্লাউজ খুলে আমার কাছে এসে শুয়ে বলল, নে খা। আমি আম্মু দুদুতে হাত দিয়ে আমার সারা শরীরে আগুন ধরে গেল। এত নরম আর কোমল কিছু হতে পারে তা আম্মুর দুদু না ধরলে আমার হয়তো জীবনেও জানা হত না। আম্মুর দুদু দুইটা অনেক বড়। একটা দুদু এক হাতে ধরা যায়না। আমি একটা দুদুতে মুখ দিতেই আম্মু কেমন যেন করে উঠল। আমি চুষতে লাগলাম। আম্মু আমার মাথাটা তার দুদুতে চেপে ধরল। আমি যেন সপ্তম আসমানে ভাসছিলাম। আমার শরীর ঠান্ডা হয়ে আসছিল। আম্মুর বিশাল শরীরে আমি হারিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি আম্মুর দুই দুদুর মাঝখানে মুখটা রেখে ঘষছিলাম। দুই হাত দিয়ে আম্মুকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমার ছোট্ট হাত দুটো আম্মুকে জড়িয়ে ধরতে ব্যর্থ হলাম। আম্মু- তোর ভাল লাগছে? আমি- অনেক। আম্মু- এভাবে দুদু খেয়ে মজা পাবি না। এক কাজ কর তুই আমার উপর উঠে দুদু খা। আরো বেশি মজা পাবি। তোর আব্বু এভাবেই দুদু খায়। আমার মাথায় কিছুতেই কাজ করছিল না। আব্বু এই বয়ষে আম্মুর দুদু খায়। আমি- আম্মু, আব্বু এখনো দুদু খায় কেন? আম্মু- সবাই দুদু খায়। বড় হলে তুইও তোর বউ এর দুদু খাবি। আরো অনেক কিছুই করবি? আমি- তাহলে আপু তোমার দুদু খায়না কেন আম্মু? আম্মু- তোর আপু তো মেয়ে। মেয়েরা বড় হলে আর দুদু খায়না। দুদু খাওয়ায়। আমি- তাহলে আপু কাকে খাওয়ায়? আম্মু- এখনো কাউকে খাওয়ায় না। বিয়ে হলে জামাইকে খাওয়াবে। আমি- আমাকে খাওয়াবে না? আম্মু- কেন আমারটা খেয়ে মন ভরছে না? ওসব পরে হবে। এখন আমার উপরে উঠে দুদু খা ভাল করে। আমি আম্মুর উপরে উঠে দুদু খাচ্ছি। আম্মু আমার শরীরটা ধরে দোলাচ্ছিল। আমার নুনুটা আম্মুর নগ্ন পেটের সাথে ঘষা লেগে নুনুটা আবার শক্ত হয়ে গেল। আম্মু আমার নুনুটা ধরে আম্মুর গভীর নাভীর ফূটায় সেট করল। আমার নুনুটা অনেক ছোট হওয়ায় আম্মুর নাভীতে সুন্দরভাবেই সেট হয়ে গেল। আমার অনেক আরাম লাগছিল। আমি- আম্মু, আব্বুও কি তোমার নাভীতে নুনু ঢুকায়? আম্মু হাসল। আম্মু- না বাবা। তোর আব্বু নাভীর নিচে ঢুকায়। আমি- নাভীর নিচে কোথায় ঢুকায়? আম্মু- নাভীর নিচে একটা বড় ফুটা আছে। ওখানে ঢুকালে বেশি আরাম। আমি- তাহলে আমিও ওখানে ঢুকাব। আম্মু- তোরটা তো অনেক ছোট। আগে তোর নুনুটা বড় কর তারপর ঢুকাবি। এখন নাভীতে নুনুটা আস্তে আস্তে চাপ দে। মনে কর কোমড় দুলায় নাচছিস। আমি আম্মুর নাভীতে নুনু দিয়ে আস্তে আস্তে চাপ দিচ্ছি। আস্তে আস্তে চাপের মাত্রা বাড়িয়ে দিলাম। একটা সময় ক্লান্ত হয়ে গেলাম। আর এভাবেই আম্মুর উপরে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি আমি বিছানায় একা। সবাই উঠে গেছে। আম্মু আমার কাছে এসে আমাকে উঠতে বলল। আমি আলসেমীতে বিছানা ছাড়তেই পারছিনা। হঠাৎ করেই কাল রাতের কথা মনে পড়ে গেল। কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না। মনে হচ্ছিল স্বপ্ন দেখেছি। যাই হোক স্বপ্নটা কিন্তু ভালই ছিল। ভাবতে ভাবতেই আবার চোখ বন্ধ করে বিছানায় শরীরটা লেলিয়ে দিলাম। এমন সময় মাথায় ঠাস করে কে যেন বারি মারল। চোখ খুলতেই দেখি আপু। আপু- কিরে ভাই আজ স্কুলে যাবিনা? আমি- ভাল লাগছে না আপু। তুমি যাও। কাল থেকে নিয়মিত যাব। আপু- কি শরীর খারাপ? কালকেও তো যাসনি? আমি- বললাম তো কাল থেকে নিয়মিত যাব। আজ ভাল লাগছে না। আপু- আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে উঠে নাস্তা কর। ভাল লাগবে। আব্বু ঘরে ঢুকতেই আপু বের হয়ে গেল। সাথে আম্মুও ঢুকল। আমি চোখ বন্ধ করেই শুয়ে ছিলাম। আব্বু- রাবেয়া এক রাতেই তো ছেলেকে কাহিল বানিয়ে দিয়েছ। এখনো দেখি ঘুমাচ্ছে। আম্মু- কি যে বলেন না। আমি আবার কি করলাম। আব্বু- মানে? কিছুই করোনি? আম্মু- আহা… এমনিতেই একটু আধটু হয়েছে। আব্বু- ওকে ওর জন্মস্থান দেখিয়েছ? আম্মু- আরে না? এখনি এতসব বুঝবে নাকি? এমনিতেই নাভীতে নুনু ঢুকিয়ে ঠাপিয়েছে। আব্বু- কি বুঝলে? কাজ হবে? ওকে পুরুষ বানানো যাবে তো? আম্মু- এখনো ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। তবে ওর মধ্যে এখনো বাচ্চা বাচ্চা ভাবটা রয়েই গেছে। কিছুই বুঝে না। একটা কাজ করলে কেমন হয়? ওকে আপনি যদি একটু শিখিয়ে দেন। তাহলে ও বুঝতে পারবে কিভাবে কি করতে হয়। আব্বু- আরে কাজতো তোমার। মেয়ে হলে নাহয় আমি শিখাতাম। ওতো ছেলে। ওকে আমি কিভাবে শিখাব? আম্মু- আমি কি সেটা বলেছি নাকি? বলেছি ওর সামনে বা ওকে দেখিয়ে একদিন আমাকে কিছু করলেন। তাহলে ও বুঝতে পারবে। আর সেই সাথে আমাদেরও কিছু করা হল। এমনিতেই তো অনেক দিন কিছু করা হয়না। আপনার তো আমার দিকে কোন খেয়াল নাই। আব্বু- কে বলেছি আমার তোমার দিকে কোন খেয়াল নেই? আম্মু- আমি সব বুঝি। আমার এখন বয়স হয়েছে তো তাই আমার দিকে চোখ পড়ে না। আপনার চোখ খালি কচি মেয়েদের দিকেই যায়। আব্বু- কি বল এসব? আমি আবার কবে কোন কচি মেয়ের দিকে চোখ দিলাম? আম্মু- থাক আমার মুখ খুলতে বাধ্য করবেন না। আব্বু- কি জান বল। আম্মু- আপনি প্রতিদিন রাতে মেয়ের বুকে হাত দেন না? মেয়ের জামার ভিতর হাত ঢুকিয়ে আপনি প্রতিদিন মেয়ের দুদু টিপেন। আব্বু- (আমতা আমতা করতে করতে) কি বলছ তুমি? আমি আবার কবে? আম্মু- যা কিছু করেন বুঝে শুনে করবেন। মেয়ে এখনো ছোট। পরে আবার আপনাকেই খারাপ ভেবে বসে না যেন। আব্বু- কি করব বলো? চোখের সামনে এমন কিছু দেখলে কি হাত সামলানো যায়? বাবা হলেও আমি তো পুরুষ। আর তাছাড়া ছেলে-মেয়েদের জন্যে তোমার সাথে কিছু করতেও পারি না। আমারও তো ইচ্ছে করে। কতদিন আর সহ্য করে থাকি বল? আম্মু- আমি সবই বুঝি। তাইতো বললাম আমাদের কিছু করা দরকার। আব্বু- কিন্তু কিভাবে? কখন? ছেলে-মেয়ে দেখে ফেলবে না? আম্মু- ছেলেকে তো দেখানো দরকারই। তানাহলে ও শিখবে কিভাবে? আব্বু- কিন্তু মেয়ে? আম্মু- আমি চিন্তা করেছি ওকে কিছুদিন ওর নানার বাড়িতে পাঠিয়ে দিব। সপ্তাহ খানেক ওখানে থেকে আসুক। এর মধ্যে আমরা যা করার করব। আর নীলও সব কিছু শিখে যাবে। আব্বু- খুব ভাল আইডিয়া। কবে পাঠাচ্ছ? আম্মু- কাল আমার ছোট বোন মিম আসবে। তিন-চারদিন থেকে চলে যাবে। ভাবছি ওর সাথেই পাঠিয়ে দিব। আব্বু- মিম আসবে? আম্মু- ওরে বাবা, শালিকার নাম নিতেই দেখি খুশি আর ধরে না। আব্বু- যাহ, কি যে বল না। আম্মু- যা বলি ঠিকই বলি। আর শোনেন শালিকার সাথে বেশি ঘনিষ্ঠ হবার চেষ্টা করবেন না। এখন আর ও ছোট নেই। আব্বু- আমার চরিত্র নিয়ে তোমার এত সন্দেহ কেন? তোমার কি ধারনা আমার চরিত্র খারাপ? আম্মু- যে বাবা নিজের মেয়ের দুধ টিপতে পারে তার চরিত্র কেমন হতে পারে শুনি? আব্বু- সেটাতো রাতের বেলা মাথা ঠিক থাকে না। তাই এমনটা হয়ে যায়। সবসময় কি করি নাকি? আম্মু- রাতে আমি, মিম আর নীল নিচে ঘুমাব। আপনি আর আপনার মেয়ে উপরে থাকবেন। আর এ কয়দিন একটু দুধ টিপাটিপি বন্ধ রাখেন। আব্বু- তুমি সব সময় ফাজলামো কর। তুমি আর মিম যদি নিচে থাক তাহলে নীলের চিকিৎসার কি হবে শুনি? আম্মু- সেটা নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। আমি সব ম্যানেজ করে নেব। আমি আর বিছানায় শুয়ে থাকতে পারলাম না। খুব বাথরুম চাপ দিচ্ছিল। আমি ওঠা মাত্রই আব্বু আম্মুর কথা বন্ধ হয়ে গেল। আমি বাথরুমে গেলাম। খুব ভাল লাগছিল রাতের ঘটনা ভেবে। সেটা যে স্বপ্ন ছিলনা তা এখন আমি একদম শিউর। প্রতিদিনের মতই সেদিন রাতে আমি আর আম্মু নিচে বিছানা করে শুলাম। আব্বু আর আপু উপরে শুয়ে পড়ল। গতকাল রাতের কথা চিন্তা করে কিছুটা শিহরিত হলাম। আহ আম্মুর দুদু খেতে কি যে মজা! যদিও আম্মুর সাথে সারাদিন এসব নিয়ে কোন কথাই হয়নি। তবুও কেন যেন মনে হচ্ছিল রাত হলেই আম্মু দুদু খেতে দেবে। আমি আগেই প্যান্ট খুলে ফেলেছি। আম্মু ব্লাউজ খুলে আমার পাশে শুলো। কাঁথার নিচে হাত দিয়ে আম্মু বলল। আম্মু- কিরে আজ দেখি আগেই রেডি হয়ে আছিস। আমি- (কিছুটা লজ্জা পেলাম) খুলতেই তো বলবা। আম্মু- (হাসল) আজ রাতে তোকে একটা নাতক দেখাব। আমি- (অবাক হলাম। কারন আমাদের তখন টিভিই ছিলনা। আর টিভি থাকবেই বা কি করে। কারেন্টই তো ছিল না।) কিসের নাটক? আম্মু- আগে নাটক শুরু হোক তারপর দেখবি। কিন্তু কোন কথা বলতে পারবি না। একদম চুপ করে থাকবি। আমি- আচ্ছা আম্মু। আম্মু- আম্মুর দুদু খাবি না আজকে? আমি- (খুশি হলাম। মনে মনে এটাই তো চাচ্ছিলাম।) খাব আম্মু। আম্মু- আয় আমার কাছে আয়। ভাল করে দুদু খা। আমি আম্মুর কাছে গেলাম। আম্মুর দুদুর বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। আর একটা দুদু হাতে নিয়ে আচ্ছা মত টিপতে লাগলাম। উফফফ… এত নরম দুদু। টিপ্তে যে কি মজা তা বলে বোঝানো যাবে না। আম্মু আমার কপালে চুমু খেল। তারপর আমার নুনুতে হাত হাত বোলাতে লাগল। আম্মু- কিরে আজ যে হাত না দিতেই দাঁড়িয়ে গেছে দেখছি। আমি আম্মুর কথায় কান দিলাম না। দুদু দুইটা আপন মনে টিপেই গেলাম। আম্মু- এই চুপ। নাটক শুরু হয়ে গেছে। এখন তোকে নাটক দেখাব। আমি- কোথায় আম্মু? আম্মু- উঠে বস। বিছানার দিকে দেখ। তোর আব্বু কি করে? আমি আর আম্মু উঠে বসলাম। ঘর জুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার। আর অন্ধকারে বেশিক্ষন থাকলে অন্ধকার সয়ে যায়। বিছানার দিকে তাকাতেই দেখলাম আব্বু আপুর জামাটা বুকের উপর তুলে আপুর দুদু টিপছে। আপু জামার নিচে কিছুই পড়েনি। আপুর দুদু দুইটা অন্ধকারে যেন আলো ছড়াচ্ছে। আমি- (আম্মুর কানে ফিসফিস করে বললাম) আম্মু, আব্বু কি করছে? আম্মু- তোর আপুর দুদু টিপছে। আমি- কিন্তু আপু তো ঘুমাচ্ছে। আপুকে ডেকে টিপলেই তো পারে। আম্মু- ধুর বোকা ছেলে। তোর আপু রাগ করবে না? আমি- তাহলে আপু যদি জেগে যায়? আম্মু- তোর আপু তো ঘুমালে গরুর মত ঘুমায়। সহজে জাগে না। আমি- আম্মু, আমিও আপুর দুদু টিপব। আম্মু- আচ্ছা বাবা টিপিস। এখন তোর বাপের টিপাটিপি দেখ। আব্বু এক হাতে আপুর দুদু টিপছে আর এক হাতে আব্বুর নুনুটা হাতে নিয়ে নাড়ছে। এভাবে কিছুক্ষন নাড়ার পর আব্বু তোয়ালা দিয়ে নুনুটা মুছে ফেলল। তারপর আবার শুয়ে পড়ল। আমি- আম্মু, আব্বু নুনুটা মুছল কেন? আম্মু- বাবা ওতা হল মাল। বড় হলে নুনু থেকে যে সাদা সাদা আঠার মত জিনিস বের হয় সেটাকে মাল বলে। আমি- আমারও কি বের হবে? আম্মু- তুই তো এখনও ছোট। বড় হলে তোরও বের হবে। বড় হলে তোর নুনুটা আরও বড় হবে। তুই তখন যেকোন মেয়েকে বশে আনতে পারবি। আমি- কিন্তু আম্মু, আমার নুনু তো বড়ই হয়না। অনেক ছোট। আম্মু- চিন্তা করিস না বাবা। আমি তোর নুনুটা তোর বাবারটার চেয়েও বড় করে দিব। কাল তোর মিম খালা আসলে তোকে একটা মজার জিনিস দেখাব। যেটা তুই কখনই দেখিসনি। এখন ঘুমায় যা। আজ আর কিছু করতে হবে না। আমি তোর নুনুতে হাত বোলাচ্ছি। তুই চোখ বন্ধ কর। আমি চোখ বন্ধ করে ভাবতে লাগলাম। মিম খালা আসলে আম্মু আমাকে কি দেখাবে? কি হতে পারে? ভাবতে ভাবতেই ঘুমিয়ে পড়লাম।

যৌনতা ও জ্ঞান © 2008 Por *Templates para Você*