রতিদিনকার মত ভোরে পাখির ডাক শুনে মিনার ঘুম ভাংলো। তবুও সে কিছুক্ষন শুয়ে রইল।
গতকালের কথা মনে করে ওর মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল। ও যখন বান্ধবীদের সাথে
স্কুল থেকে ফিরছিল, খান সাহেবের ডাক্তার ছেলেটা ওর দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসেছিল; তা
দেখে ওর বান্ধবীরা হিংসায় মরে যায় আরকি। কিছুদিন হলো খান সাহেবের ছেলে শফিক
গ্রামে বেড়াতে এসেছে। তার পর থেকেই সে যেখানেই যায় গ্রামের সব মেয়ের নজর তার
দিকে ঘুরে যায়। নেহায়েৎ গ্রামের মেয়ে বলে লাজুক ভাবে তাকিয়েই শুধু তারা চোখের
সুধা মেটায়, নাহলে হয়তো সারাদিন পিছে পিছেই ঘুরত। মিনাও তার জীবনে এত সুন্দর
ছেলে দেখেনি। আর এত বিনয়ী। সেদিনই তো মিঠুর ডানায় আঘাত লাগায় ওর কাছে নিয়ে
যাওয়াতে সুন্দর করে ব্যান্ডেজ করে দিয়েছিল; মিনা পাশে বসে লজ্জায় শফিকের দিকে
তাকাতে পারছিলনা, কিন্ত ছেলেটি বারবার চোখ তুলে ওর দিকে তাকাচ্ছিলো। অবশ্য
মিনাও এখন আর সেই ছোট্ট মেয়েটি নেই। ও এখন কলেজে পড়ে; কোমর পর্যন্ত লম্বা চুল,
সারাদিনই কিছু না কিছু কাজ করতে হয় বলে গতানুগতিক গ্রামের মেয়েদের তুলনায় ওর
অন্যরকম সুন্দর এক ফিগার হয়েছে। ওর দাদী বেড়াতে আসলে, যতদিন ওদের সাথে থাকে সে
স্কুলে যেতে পারে না। ওর দুধ দুটো নাহয় একটু বড়ই
গতকালের কথা মনে করে ওর মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল। ও যখন বান্ধবীদের সাথে
স্কুল থেকে ফিরছিল, খান সাহেবের ডাক্তার ছেলেটা ওর দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসেছিল; তা
দেখে ওর বান্ধবীরা হিংসায় মরে যায় আরকি। কিছুদিন হলো খান সাহেবের ছেলে শফিক
গ্রামে বেড়াতে এসেছে। তার পর থেকেই সে যেখানেই যায় গ্রামের সব মেয়ের নজর তার
দিকে ঘুরে যায়। নেহায়েৎ গ্রামের মেয়ে বলে লাজুক ভাবে তাকিয়েই শুধু তারা চোখের
সুধা মেটায়, নাহলে হয়তো সারাদিন পিছে পিছেই ঘুরত। মিনাও তার জীবনে এত সুন্দর
ছেলে দেখেনি। আর এত বিনয়ী। সেদিনই তো মিঠুর ডানায় আঘাত লাগায় ওর কাছে নিয়ে
যাওয়াতে সুন্দর করে ব্যান্ডেজ করে দিয়েছিল; মিনা পাশে বসে লজ্জায় শফিকের দিকে
তাকাতে পারছিলনা, কিন্ত ছেলেটি বারবার চোখ তুলে ওর দিকে তাকাচ্ছিলো। অবশ্য
মিনাও এখন আর সেই ছোট্ট মেয়েটি নেই। ও এখন কলেজে পড়ে; কোমর পর্যন্ত লম্বা চুল,
সারাদিনই কিছু না কিছু কাজ করতে হয় বলে গতানুগতিক গ্রামের মেয়েদের তুলনায় ওর
অন্যরকম সুন্দর এক ফিগার হয়েছে। ওর দাদী বেড়াতে আসলে, যতদিন ওদের সাথে থাকে সে
স্কুলে যেতে পারে না। ওর দুধ দুটো নাহয় একটু বড়ই